অনেকেই অডসের সংখ্যা দেখে বিভ্রান্ত হয়ে যান। আসলে বিষয়টা খুবই সহজ। ধরুন একটা ম্যাচে বাংলাদেশের অডস দেওয়া হয়েছে ২.১৫। এর মানে হলো আপনি ১০০ টাকা বাজি ধরলে বাংলাদেশ জিতলে পাবেন ২১৫ টাকা, অর্থাৎ মূল টাকাসহ ১১৫ টাকা লাভ। সংখ্যাটা যত বড় হবে, জয়ের সম্ভাবনা তত কম হিসেবে
ধরা হয়, কিন্তু জিতলে পুরস্কারও বেশি।
7000bdt com-এ দুই ধরনের অডস ফরম্যাট পাওয়া যায় — দশমিক (Decimal) এবং ভগ্নাংশ (Fractional)। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য দশমিক ফরম্যাট সবচেয়ে সহজবোধ্য, তাই ডিফল্ট হিসেবে এটাই দেখানো হয়। তবে চাইলে সেটিংস থেকে পরিবর্তন করা যায়।
হ্যান্ডিক্যাপ বেটিং অনেকের কাছে একটু জটিল মনে হয়। এটা মূলত দুটো দলের মধ্যে শক্তির পার্থক্য কমাতে ব্যবহার হয়। ধরুন ভারত বনাম আফগানিস্তান ম্যাচে ভারতের অডস খুব কম কারণ তারা অনেক এগিয়ে। হ্যান্ডিক্যাপ মার্কেটে ভারতকে -১.৫ রান দিয়ে হিসাব করা হয়, যাতে উভয় দলের অডস আকর্ষণীয় হয়। 7000bdt com-এ প্রতিটি হ্যান্ডিক্যাপ মার্কেটে বাংলায় ব্যাখ্যা দেওয়া থাকে।
ওভার/আন্ডার বেটিং আরেকটি জনপ্রিয় মার্কেট। এখানে নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বেশি বা কম হবে কিনা সেটা নিয়ে বাজি ধরা যায়। যেমন ক্রিকেটে মোট রান ৩৫০-এর বেশি হবে কিনা, বা ফুটবলে মোট গোল ২.৫-এর বেশি হবে কিনা। এই মার্কেটে দলের পারফরম্যান্সের চেয়ে বরং পিচ, আবহাওয়া ও উভয় দলের সাম্প্রতিক ফর্ম বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
7000bdt com-এ পার্লে বা একাধিক বেট একসাথে করার সুবিধাও আছে। একটি পার্লেতে ৩–৪টি ম্যাচের বাজি একসাথে জুড়ে দিলে অডস গুণ হয়ে যায়, ফলে সম্ভাব্য জয়ের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। তবে সব বাজি জিততে হবে — একটা হারলেই পুরো পার্লে বাতিল। তাই পার্লেতে বেশি ম্যাচ না জুড়ে ২–৩টিতে সীমাবদ্ধ রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
লাইভ বেটিং, যাকে ইন-প্লে বেটিংও বলা হয়, 7000bdt com-এর সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ফিচার। ম্যাচ চলাকালীন পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। যেমন ক্রিকেটে পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত রান উঠলে ব্যাটিং দলের অডস কমে যায়, সেই সুযোগে বোলিং দলে বাজি ধরে ভালো দাম পাওয়া যায়। এই ধরনের বিশ্লেষণী বেটিং 7000bdt com-কে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।